মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, ময়মনসিংহ বিভাগের বিশেষ রিপোর্টারঃ
কেন্দুয়ায় সাংবাদিক কোহিনুর আলম (৩৭), পিতা-মৃত মতিউর রহমান, সাং-কান্দিউড়া, থানা-কেন্দুয়া, জেলা-নেত্রকোণা লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
১০ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানায় অভিযুক্ত জামিরুল হক (৫০), পিতা- আব্দুর রহিম, সাং-নল্লা, কেন্দুয়া পৌরসভা, থানা-কেন্দুয়া, জেলা-নেত্রকোণা (সাবেক ছাত্রলীগ নেতা) কে আসামি করে মামলা রুজু করা হয়।
মামলার বাদী কোহিনুর আলম (৩৭), পিতা-মৃত মতিউর রহমান, সাং-কান্দিউড়া, থানা-কেন্দুয়া, জেলা-নেত্রকোণা অভিযোগে বলেন- জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতায় দায়িত্ব পালন করিয়া আসিতেছি। উক্ত বিবাদী ০৫ আগস্ট ২০২৪ খ্রিঃ আগে ও পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি ভেঙ্গে যাওয়ার পর নতুন কমিটি গঠন হয়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমি তথ্য সংগ্রহ করি। কিন্তু আমি সংগৃহিত তথ্যের সংবাদ প্রকাশ না করায় বিবাদী আমার প্রতি ক্ষোভ পোষন করিয়া আসিতেছিল। উক্ত ক্ষোভের বশবর্তি হয়ে ঘটনার তারিখ ও সময়: ইং-০৯/০৩/২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬.০০ ঘটিকার সময় কেন্দুয়া পৌরসভাধীণ সোনালী ব্যাংকের সামনে পাকা রাস্তার উপর মোটর সাইকেল যোগে যাওয়ার পথে উক্ত বিবাদীর আমার পথরোধ করে। আমি উক্ত বিবাদীকে আমার পথরোধ করার কারণ জানতে চাইলে উক্ত বিবাদী আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা সহ আমার সাংবাদিকতার পেশা নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে মানহানী করে। আমি বিবাদীকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করিলে উক্ত বিবাদী ক্ষিপ্ত হইয়া যায় এবং আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ডান কানের লতিকার নীচে ঘুষি মারলে আমি মোটর সাইকেল হইতে মাটিতে পড়ে গেলে উক্ত বিবাদী আমাকে কিল-ঘুষি মেরে শরীরে বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। পরবর্তীতে আমি ডাক চিৎকার শুরু করিলে আশেপাশের লোকজন বিবাদীকে দোহাই দোস্তর করে বিবাদীর কবল হইতে আমাকে রক্ষা করে। পরবর্তীতে উক্ত বিবাদী আমি কিভাবে সাংবাদিকতা করবো তা দেখে নিবে এবং আমাকে সুযোগ মতো পাইলে খুন করিয়া লাশ গুম করিবে বলিয়া হুমকী প্রদান করিয়া চলিয়া যায়। পরবর্তীতে উপরোক্ত সাক্ষীগনদের সহায়তায় আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়া এবং আমার সহকর্মীদের সাথে আলোচনা করে থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করি।
তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আরও বলেন- আমি পেশায় সাংবাদিক, সাংবাদিকের দায়িত্ব হলো সমাজের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় তথ্য সংগ্রহ করা। আর সেই তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক বাধা সম্মুখীন হতে হয়। দেশের মানুষের কল্যানের জন্য আমরা সর্বদা সত্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করি। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করবো যে আমাকে লাঞ্চিত করে আমার মানহানি ও শারিরীক নির্যাতন করেছে থাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করান।
কেন্দুয়া উপজেলার সাংবাদিক মহল আশা করেন দ্রুত উক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে সমাজের ন্যায় প্রতিষ্টা করা। না হলে সাংবাদিক মহল, সমাজ কুল সিত হবে।
