বিশেষ প্রতিবেদন বিডি রাষ্ট্রপতি
রিপোর্টার্স | ঢাকা বিভাগীয় প্রধান ও কূটনৈতিক সংবাদদাতা
বাংলাদেশে বিএনপির নতুন সরকার এ মুহূর্তে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে দেওয়া বা ওই পদে পরিবর্তনের চিন্তা করছে না। রাষ্ট্রপ্রধানের পদে পরিবর্তনের প্রশ্নে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি বলেই সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানাচ্ছে।
তবে ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় বিজয় নিয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন প্রশ্নে নানা আলোচনা চলছে রাজনীতিতে।
এমনকি বিএনপির কারা রাষ্ট্রপতি হতে পারেন, অনেক নাম দিয়েও খবর হচ্ছে সংবাদমাধ্যমে। সামাজিক মাধ্যমেও রয়েছে অনেক নাম নিয়ে আলোচনা। দলটির নেতা-কর্মীদেরও অনেকে ধারণা করছেন, রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসতে পারে।
যদিও বিএনপির নীনিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদের এখনো অনেকটা সময় বাকি আছে। ফলে সংবিধান অনুযায়ী এখনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয় নেই।
তারা এই প্রশ্নও করছেন যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রশ্ন কেন তোলা হচ্ছে?
প্রসঙ্গত, ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে ২০২৩ সালের ২৪শে এপ্রিল পাঁচ বছর মেয়াদে রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্বে আসেন মোঃ সাহাবুদ্দিন। ফলে তার মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত।
সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেহেতু মেয়াদ রয়েছে, সেখানে মোঃ সাহাবুদ্দিন যদি পদত্যাগ না করেন অথবা তাকে অভিশংসন বা অপসারণ না করা পর্যন্ত নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনগত সুযোগ নেই।
কিন্তু জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন মোঃ সাহাবুদ্দিন।
