বিশেষ প্রতিবেদন জ্বালানি তেল ও গ্যাস
রিপোর্টার্স | ঢাকা বিভাগীয় প্রধান ও কূটনীতিক সংবাদদাতা
🌍 আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে বিশ্বের নৌপথ পরিবহন সংকট অন্যতম কারণ এই সংকটের অর্থ হলো জ্বালানির উচ্চমূল্য।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন বেঞ্চমার্ক ‘ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট’ -উভয়ের দামই বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার এক পর্যায়ে প্রতি ব্যারেল ১২০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছিল, যদিও পরে তা কমে প্রতি ব্যারেল ৮৫ ডলারের নিচে নেমে আসে।
এর প্রভাব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ গৃহস্থালির ব্যয়ের ওপর পড়ছে।
যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপে, ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের তুলনায় প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও, যারা প্রধান তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী হিসেবে বিশ্ববাজারের দামের ওঠানামা থেকে তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত থাকে, সেখানেও পাম্পে তেলের দাম প্রতি গ্যালন সাড়ে তিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
এক মাস আগে যা ছিল দুই দশমিক ৯০ ডলার, যা সর্বশেষ ২০২৪ সালে দেখা গিয়েছিল।
গত সপ্তাহে গোল্ডম্যান স্যাকস প্রাক্কলন করেছে যে, তেলের দাম সাময়িকভাবে প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারে উঠলে তা বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শূন্য দশমিক চার শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মাস শেষ হওয়ার আগে যদি এই সংঘাতের সমাধান না হয়, তবে এটি বিশ্ববাজারে তেলের দামকে ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পরে যে ব্যাপক বৃদ্ধি হয়েছিল তাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলারে পৌঁছানোর আশংকাও রয়েছে।
কর্নফেইন্ড বলেন, ওই পর্যায়ে অর্থনীতির ওপর এর বিরূপ প্রভাব হবে ‘বেশ মারাত্মক, কারণ উচ্চ ব্যয় মেটাতে গিয়ে পরিবার এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো তখন অন্য খরচ কমাতে বাধ্য হবে এবং তার ফলে সামগ্রিক অর্থনীতি ধীর হয়ে পড়বে।
