ছবি সংগ্রহ ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম
বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
রিপোর্টার্স | ঢাকা বিভাগীয় প্রধান ও কূটনৈতিক সংবাদদাতা
বিশেষ তদন্তে সাংবাদিকরা জানতে পেরেছে বাংলাদেশ আর্মির ওয়ারেন্ট অফিসার ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্ট অফিসারদেরকে গৃহ নির্মাণ গৃহঋণের সনদপত্র দিয়েছে ও সঞ্চয় জমা নিয়েছে, ঋণ প্রদান করেনি এবং বিশেষ কারণে প্রতারকদের গ্রেফতার করবে না।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলার বাহিনীর অফিসাররা বিশেষ লেনদেনের কারনে কম্প্রোমাইজ ও নিষ্ক্রিয়।
বাংলাদেশের দরিদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকির লিখিত অভিযোগ দেওয়া আছে থানার সংশ্লিষ্ট দারোগারা তদন্ত করে না এজন্যে কোন আসামিকে গ্রেফতার হতে দেখেনি।
🇧🇩 পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) এর আদেশে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর সিআইডি মালিবাগ কার্যালয় ও গোয়েন্দা প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।
🧨এছাড়া ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি র্যাব-১০ ও সিপিসি-৩ এবং ১০ জানুয়ারি র্যাব-১ ও আইজিপি পিএস কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
📧 একই সঙ্গে বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর কার্যালয় ও মিডিয়া সেন্টারকেও অবহিত করা হয়েছে।
🎯 সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় ১৮ই অক্টোবর ২০২৫ এবং ১৫ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১৮ নভেম্বর জেলা পুলিশ সুপার ও থানা অফিস ইনচার্জ এজাহার দাখিল করা হয়। থানা অফিস ইনচার্জের নির্দেশের তদন্ত দারোগা সেই কাজ করবে না স্বীকৃতিতে ফাইল বন্ধ করেন।
ইফাদ মাইক্রো ফাইন্যান্স ম্যানেজার কীভাবে অর্থ গ্রহণ করে বিস্তারিত জানতে পেরেছি। যথাক্রমে:-
অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর ইফাদ লোন ম্যানেজারের পরিচয়ে একটি অনলাইন লিংক পাঠিয়ে ঋণের জন্য আবেদন করতে বলা হয়। ৯ অক্টোবর আবেদন সম্পন্ন করার পর ১৪ অক্টোবর একটি অনুমোদন সনদ দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে বিভিন্ন অজুহাতে সঞ্চয়, ফান্ড ট্রান্সফার ফি, সংশোধনী ফেরত যোগ্য অর্থ জরিমানা, ঋণ গ্রাহকের ইন্সুরেন্স ফি, জাতীয় রাজস্ব ট্যাক্সি ফি এবং বিশেষ কমিশন সহ অন্যান্য অর্থ নেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, এভাবে মোট ২,০২,৫২৯ টাকা গ্রহণ করা হয়।
অভিযোগকারীরা আরও জানান, পরে আরও ১০ শতাংশ অগ্রিম উপহার হিসেবে ৩,২০,২৫০ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে ব্যর্থ হলে পরিবারের সবাইকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও
অভিযোগ করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য
ভুক্তভোগীদের সঙ্গে আলোচনায় র্যাব-৪ এর ডিএডি তরিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
তিনি বলেন,
“অভিযোগের আসামিদের গ্রেফতারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে ও সংশ্লিষ্ট প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।”
ভুক্তভোগীরা জানান, বর্তমানে অনুমোদিত ঋণ ও জমাকৃত অর্থসহ মোট ৩২,০২,৫২৯ টাকা তাদের প্রাপ্য রয়েছে।
তারা দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
🇧🇩 বিভিন্ন জেলায় অভিযোগ
রাজবাড়ী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ একই ধরনের প্রতারণার অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আরও তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইন লিংকের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণা একটি নতুন প্রবণতা হয়ে উঠছে। এ ধরনের ঘটনায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার প্রয়োজন।
(ধারাবাহিক প্রতিবেদন-০৭)
