বিশেষ প্রতিবেদন বিশ্বকাপ ক্রিকেট
রিপোর্টার্স | ঢাকা বিভাগীয় প্রধান ও কুটনৈতিক সংবাদদাতা
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অলিখিত কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটিসহ, এই বিশ্বকাপের তিনটি নকআউট ম্যাচে, সঞ্জু স্যামসন যেন নিজের ক্যারিয়ারের গল্পটাই নতুন করে লিখে দিয়েছেন।
অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে বলছিলেন, তার ভেতরে বড় কিছু করার সামর্থ্য আছে, এই টুর্নামেন্টে তিনি যেন তারই সবচেয়ে জোরালো প্রমাণ দিলেন।
শুধু তাই নয়, এবারের বিশ্বকাপে তিনি এমন ছাপ রেখে গেছেন, যা অনেক দিন মনে রাখা হবে।
পরিসংখ্যানও বলছে একই কথা।
নকআউট পর্বে স্যামসন করেছেন ২৭৫ রান, প্রায় ১৯৯ স্ট্রাইক রেটে। ভারতের হয়ে এই সময়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেছেন ইশান কিশান, তার রান ১০৩।
পুরো টুর্নামেন্টে তিনি খেলেছেন মাত্র পাঁচটি ইনিংস, তবু ৩২১ রান নিয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তিনি আছেন তৃতীয় স্থানে। মজার ব্যাপার হলো, পাঁচ বা তার কম ইনিংস খেলে এমন আর কোনো ব্যাটারকে খুঁজতে গেলে তালিকার ২৭ নম্বর পর্যন্ত যেতে হয়।
এখানেই শেষ নয়।
শুধু সেমিফাইনাল ও ফাইনালের রান ধরলে দেখা যায়, কোনো বিশ্বকাপেই কেউ এত রান করেননি যা করেছেন স্যামসন। এই দুই ম্যাচে তার সংগ্রহ ১৭৮ রান, যা ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে বিরাট কোহলির করা রান থেকেও প্রায় ২৩ শতাংশ বেশি।
সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হলো, বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্তত ৫০ বল খেলা কোনো ব্যাটার এত বেশি রান করেননি, কিংবা এত দ্রুত গতিতে রান তুলতেও পারেননি, যতটা করেছেন সঞ্জু স্যামসন।
ফাইনালেও সঞ্জু স্যামসন যখন আউট হলেন তখন দলের রান ১৫ ওভারে ২০০ পার, অর্থাৎ জয়ের একটা প্রাথমিক ভিত্তি প্রস্তুত।
এর আগে ভারতের মূল দুশ্চিন্তাই ছিল টপ অর্ডার, বিশেষ করে অভিষেক শর্মার অফ ফর্ম বার বার প্রশ্নের মুখে ফেলছিল ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীরকে।
