বিশেষ প্রতিবেদন ক্রিকেট বিশ্বকাপ
রিপোর্টার্স | ঢাকা বিভাগীয় প্রধান ও কুটনৈতিক সংবাদদাতা
বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনাল খেলা আহমেদাবাদে ভারত ২৫৫ রান তোলার পর নিউজিল্যান্ডের জন্য বিশ্বাস করাটা কঠিনই ছিল যে এই রান তাড়া করা সম্ভব।
কারণ ইনিংসের এক পর্যায়ে নিউজিল্যান্ড নিজেরাই ওয়াইড বল করে ভারতের মোট রানের প্রায় ১১ শতাংশ উপহার দিয়েছে।
মাত্র পাঁচ ওভারেই ছিল আটটি ওয়াইড।
এতটা নিয়ন্ত্রণহীন বোলিং ব্ল্যাক ক্যাপসদের কাছ থেকে আগে খুব একটা দেখা যায়নি। মনে হচ্ছিল তারা যেন বল ভারতের ব্যাটারদের থেকে দূরে রাখতে পারলেই রক্ষা পায়।
তারা এমন একজন বোলারকে কম ব্যবহার করে, যিনি ইনিংসে চারটি ডট ওভারের একটি করেছিলেন।
গ্লেন ফিলিপস সাধারণত পাওয়ারপ্লেতে বোলিং করেন না, কিন্তু এ ম্যাচে তিনি সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মাকে কিছুটা হলেও চাপে রেখেছিলেন, যখন তারা দ্রুত রান তুলতে চাইছিলেন।
নিউজিল্যান্ড দল সাধারণত মাঠের পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত নিজেদের কৌশল বদলাতে পারে। কিন্তু এ ম্যাচে তারা যেন আগের পরিকল্পনাতেই আটকে ছিল এবং পরিস্থিতি বদলানোর পরও তা সামাল দিতে পারেনি।
ম্যাচের শুরুতে দুই ওভারে ভারতের রান ছিল ১২। কিন্তু পরের চার ওভারেই পরিস্থিতি পুরো বদলে যায়—যেখানে ৮০ রান তুলে নেয় ভারত। সেই সময়টা দ্রুত ভুলে যেতে চাইবেন অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারও।
ম্যাচ শেষে স্যান্টনার বলেন, “আমরা জানি সঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মা এবং ইশান কিশান কতটা দক্ষতার সঙ্গে মাঠের চারদিকে শট খেলতে পারে। তাই যখন ওরা এমন ছন্দে থাকে, তখন আসলে নিখুঁত কোনো পরিকল্পনা বলে কিছু থাকে না।”
