বিশেষ প্রতিবেদন ইরান যুদ্ধ
রিপোর্টার্স | ঢাকা বিভাগীয় প্রধান ও কূটনৈতিক সংবাদদাতা
হরমুজ প্রণালী “কেউ পার করার চেষ্টা করলে তাকে গুলি করে হত্যা করা হবে”- ইরানের তরফে সোমবার এই ঘোষণা আসার পর থেকেই বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনের এই রুটটি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কমান্ডার-ইন-চিফের উপদেষ্টা ইব্রাহিম জাব্বারি সে দেশের জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে এই সতর্কবার্তা জারি করেন।
তিনি বলেছিলেন, “ওদের এই অঞ্চলে আসা উচিত নয়। ওরা নিশ্চিতভাবে আমাদের কাছ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়া পাবে”।
সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশে হরমুজ প্রণালী মাত্র ৪০ কিলোমিটার প্রশস্ত, যেখান দিয়ে পৃথিবীর প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবহন করা হয়।
এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের উপর আক্রমণ শুরু করার পর থেকে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম ক্রমাগত বাড়ছে।
তেলের দামের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড সোমবার ব্যারেল প্রতি ৭৯ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। হামলার প্রথম দিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারির সঙ্গে তুলনা করলে ওই দাম প্রায় নয় শতাংশ বেড়েছে।
নতুন তথ্য বলছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে চীনে তেল পরিবহনের জন্য সুপারট্যাংকার ভাড়া করার খরচ গত সপ্তাহের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে, যা প্রতিদিন চার লাখ ডলারেরও বেশি এবং এখনো পর্যন্ত সর্বোচ্চ বলেই মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা এমআই-সিক্স-এর সাবেক প্রধান স্যার অ্যালেক্স ইয়ঙ্গার এর আগে বিবিসিকে বলেছিলেন, “তেলের দামের উপর প্রভাবের কথা বিবেচনা করলে বলা যায়, ওই প্রণালী বন্ধ রাখলে স্পষ্টতই একটা অবিশ্বাস্য অর্থনৈতিক সমস্যা তৈরি হবে”।
