মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, ময়মনসিংহ বিভাগের বিশেষ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা গ্রামের সবুজের মা ময়মনসিংহ মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত হাজেরা খাতুন নারী ছেলের হাতে শারীরিক হত্যার শিকার হয়েছেন নাকি নিজে কীটনাশক বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। এ নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন।
শনিবার (৭ মার্চ) বিকালে উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা গ্রামের পূর্ব পাড়ায় সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় প্রতিবেশী ও স্থানীয় এবং ইউপি সদস্যদের সাথে ।
জানা যায়- প্রায়ই পারিবারিক কলহের জেরে নিহত হাজেরা খাতুন (৭০) তাঁর একমাত্র ছেলে সবুজ মিয়া (ওরফে আরব আলী) কর্তৃক প্রায় সময়ই মারধরের শিকার হতেন।
এরই জেরে গত ৪ই মার্চ ভোর ৫ ঘটিকা সময় হাজেরা খাতুন (কীটনাশক) বিষপানে আত্মহত্যা করতে পারেন, তবে মুখে বিষের কোন গন্ধ পাইনি বলেন সবুজ মিয়ার ভাতিজা তৌহিদ মিয়া। আরেক ভাতিজা সুলতান মিয়া ও সবুজ মিয়ার পালিত একমাত্র ভাই বলেন- হাজেরা খাতুন মানসিকভাবে অস্বাভাবিক ছিলেন, এর আগে কয়েকবার বাড়ি থেকে হারিয়ে গিয়েছেন। কারো সাথে ঝগড়া করে বিষপান করেছেন বিষয়টা এমন না।
অন্যদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ উসমান মিয়া বলেন- তাদের মা- ছেলের মধ্যে প্রায়শই ঝগড়া ঝামেলা লেগে থাকত । সবুজ মিয়ার প্রায় সময় তার মাকে মারধরও করতো, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে বেশ কয়েকবার সমাধানের চেষ্টাও করেছি । তিনি আরো বলেন- শুনেছি ঘটনার আগেও হাজেরা খাতুনকে মারধর করা হয়েছিলো।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকের ধারণা মৃত হাজেরা খাতুন বিষপানে আত্মহত্যা করেছে।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মেহেদী মাকসুদ মুঠোফোনে জানান- ইতোমধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর মূল কারণ বলা যাবে ।
