বিশেষ প্রতিবেদন ইরানের নেতা ও যুদ্ধ
রিপোর্টার্স | ঢাকা বিভাগীয় প্রধান ও কুটনৈতিক সংবাদদাতা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল, তার প্রভাবশালী ছেলে মোজতবা খামেনিও কি মারা গেছেন কি না।
কয়েক দিন কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে মঙ্গলবার (তেসরা মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, মোজতবা জীবিত আছেন এবং “দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে পরামর্শ ও পর্যালোচনা” করছেন। তবে তিনি এখনো জনসমক্ষে হাজির হননি।
রয়টার্স দুটি ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবার নাম আলোচনায় এগিয়ে আছে, তবে এ ধরনের দাবি যাচাই বা পুরোপুরি নিশ্চিত করা এখনো কঠিন।
এদিকে ৮৮ জন সদস্য নিয়ে গঠিত ধর্মীয় পরিষদ “একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কাছাকাছি” বলে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞদের এই পরিষদের কাজ নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা।
তবে আলী খামেনির দাফনের আগে এমন কোনো ঘোষণা হবে না বলেই ধারনা দিচ্ছে আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সি। এই সংস্থাটি প্রভাবশালী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।
তার বাবাকে যতটা প্রকাশ্যে দেখা গেছে তার বিপরীতে মোজতবা সাধারণত আড়ালে থেকেছেন। তিনি কখনো কোনো সরকারি পদে ছিলেন না। জনসমক্ষে বক্তৃতা বা সাক্ষাৎকারও দেননি, এবং তার খুব সীমিত সংখ্যক ছবি ও ভিডিও প্রকাশ হয়েছে।
তবে বহুদিন ধরেই গুজব রয়েছে যে, তার বাবার কাছে যাওয়ার ‘গেটকিপার’ বা রক্ষক হিসেবে তার প্রভাব ছিল।
২০০০ দশকের শেষ দিকে উইকিলিকসে প্রকাশিত মার্কিন কূটনৈতিক বার্তায় তাকে ‘আড়ালের শক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল।
