সাদিয়া জান্নাত কেয়া , জবি প্রতিনিধিঃ
উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম আন্দোলনের মাধ্যমে পাওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে একমাত্র শিক্ষক। অন্যান্য উপাচার্যের তুলনায় অনেক বেশি প্রত্যাশা নিয়ে নিজেদের মধ্য থেকে উপাচার্য নিয়োগের আন্দোলন করেছিল শিক্ষার্থীরা। কিন্তু প্রশাসনের কাজে হতাশা প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বলে, তিনি শুধু নিয়োগকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। শিক্ষার্থীদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল আবাসন ব্যবস্থা করা এবং যতদিন আবাসন ব্যবস্থা না হয়, ততদিন আবাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা। আবাসন বৃত্তি নিয়ে পুরো দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে ‘লং মার্চ টু যমুনা’ আন্দোলন। আন্দোলনের মুখে সরকার ইউজিসি (ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ট কমিশন)-র মাধ্যমে বৃত্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু উপাচার্যের প্রশাসনিক অদক্ষতার কারণে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে আবাসন বৃত্তি। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন—তাহলে কি উপাচার্যের প্রধান লক্ষ্য ছিল ‘জকসু’ নির্বাচন আর নিজের লোকদের নিয়োগ দেওয়া?
দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের অগ্রগতি নিয়েও আছে চরম হতাশা। গত এক বছরে নতুন কোনো কাজ শুরু করতে পারেনি প্রশাসন। এমনকি গত প্রশাসনের শুরু করা কাজগুলোও শেষ করতে পারেনি তারা। দফায় দফায় সময় বাড়িয়েও অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বালি ভরাটসহ প্রথম পর্যায়ের অধিকাংশ কাজ। এগুলো উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিমের অদক্ষতার চাক্ষুষ প্রমাণ বলে অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
এবিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম এর সাথে কথা বলার চেষ্টা করলেও তিনি ব্যস্ততার অজুহাত দিয়ে কথা বলতে অসম্মতি দেয়,তিনি বলেন, ” আমি লিখছি পরে কথা হবে “
