নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামীকাল ৩ মার্চ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে । প্রথম দিন ১৩ মার্চের ট্রেনের টিকিট দেওয়া হবে। এবারও সব টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে। এ ছাড়া ঈদযাত্রায় যাত্রীদের জন্য পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ১৩ মার্চ—ওই দিন ২৩ মার্চের ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি করা হবে।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রেলপথ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ঈদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করার জন্য সময়সূচির বিপর্যয় রোধের বিষয়ে গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, বিক্রির দ্বিতীয় দিন ৪ মার্চ ১৪ মার্চের টিকিট পাবেন যাত্রীরা। ১৫ মার্চের ট্রেনের টিকিট বিক্রি হবে ৫ মার্চ। ১৬ মার্চের টিকিট পাওয়া যাবে ৬ মার্চ, ১৭ মার্চের টিকিট ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ ও ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ বিক্রি হবে।
রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন জানান, এবার পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলরত আন্তনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের আন্তনগর ট্রেনের টিকিট বেলা ২টা থেকে অনলাইনে বিক্রি শুরু হবে। একজন যাত্রী অগ্রিম যাত্রা ও ফিরতি যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার করে টিকিট কিনতে পারবেন। প্রতিবার সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। ঈদে অগ্রিম ও ফেরতযাত্রার টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। এদিকে ১৬ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব আন্তনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন বাতিল করা হয়েছে। এদিকে ঈদ যাত্রার অতিরিক্ত চাপ সামলাতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে কোচ, ইঞ্জিনও রেল লাইন সিগনালসহ নানা ধরনের কাজ চলছে পুরোদমে বলে জানান তিনি।
এবার চট্টগ্রাম-চাঁদপুর রুটে এক জোড়া, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটে এক জোড়া এবং জয়দেবপুর-পার্বতীপুর রুটে এক জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল হিসেবে দুই জোড়া ট্রেন চলাচল করবে ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ এবং ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ রুটে। এ ছাড়া প্রতিটি ট্রেনে বাড়তি বগি লাগানো হবে। এ উপলক্ষে সৈয়দপরে রেল কারখানায় ১০৬ টি বগি মেরামতের টার্গেট দেয়া হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হচ্ছে অতিরিক্ত ইঞ্জিনও।
