ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, দিঘলিয়া (খুলনা)
দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটীতে পূর্ব শত্রুতার জের হিসাবে গতকাল বিকালে মুরাদ (৪৫)নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত মুরাদ উপজেলার হাজীগ্রামের খান মুনসুর আলীর ছেলে। তিনি সেনহাটী ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও একজন বালু ব্যবসায়ী। হত্যা ঘটনার পর পর দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। এলাকায় জনমানবশূন্য হয়ে পড়ে। হত্যাকারিদের গ্রেফতারে পুলিশ কম্বাইন্ড অপারেশনে নেমেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, যুবদল নেতা মুরাদ খান খুলনা থেকে তার হাজীগ্রাম বাড়িতে যাওয়ার পথে সেনহাটী মিয়া পাড়া মসজিদের কাছে পৌঁছালে কয়েকজন যুবক তার গতিরোধ করে। এ-সময় মুরাদ দৌড়ে একটি দোকানে আশ্রয় নিলে অস্ত্রধারীরা সেখান থেকে ধরে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। একপর্যায়ে মুরাদ খান নিস্তেজ হয়ে পড়লে অস্ত্রধারীরা চলে যায়। এসময় স্থানীয় লোকজন মুরাদকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত মুরাদ খান ৩কন্যা ও ১পুত্র সন্তানের জনক।
ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
অন্যদিকে দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ শাহ আলম এর নেতৃত্বে পুলিশ হত্যাকারিদের গ্রেফতার করতে কম্বাইন্ড অপারেশন শুরু করেছে।
খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু হাসপাতালে নিহত মুরাদ খানকে দেখতে গিয়ে হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন এঘটনায় দলীয়ভাবে তদন্ত করা হবে। তদন্তে কারোর জড়িত থাকার প্রমান পেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, খুলনা -৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল ইতিমধ্যে যুবদল নেতা মুরাদ খানের হত্যাকারিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি। লাশ খুমেক হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
