বিশেষ প্রতিবেদন বিশ্ব
রিপোর্টার | ঢাকা বিভাগীয় প্রধান ও কুটনৈতিক সংবাদদাতা
তেহরানের একটি পোস্টারে ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলি হামলায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সরঞ্জাম এবং নিহত ইরানি বিজ্ঞানীদের ছবি তুলে ধরা হয়েছে।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি আবারও আলোচনার কেন্দ্রে।
যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে বিমান ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। যাতে মনে হচ্ছে, তেহরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে কোনো চুক্তিতে রাজি না হলে আমেরিকা হামলার জন্য প্রস্তুত।
১৯শে ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, ‘অর্থবহ চুক্তি’ না হলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটবে।
তিনি আবারও বলেন, “তারা পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না, বিষয়টি খুবই সহজ… তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যাবে না”।
ইরান সবসময়েই পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টার কথা অস্বীকার করে আসছে। কিন্তু অনেক দেশ, একই সাথে বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ এই দাবির ওপর পুরোপুরি আস্থা পোষণ করে না।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কী অবস্থায় রয়েছে?
গত জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর ইরানের কর্মসূচির অবস্থা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।
যুক্তরাষ্ট্রও স্বল্প সময়ের জন্য যুদ্ধে যোগ দিয়ে তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এর মধ্যে ছিল ইসফাহানে ইরানের বৃহত্তম পারমাণবিক গবেষণা কমপ্লেক্স এবং নাতাঞ্জ ও ফোর্দোতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র। সেসব স্থানে নির্দিষ্ট আইসোটোপের অনুপাত বাড়িয়ে পারমাণবিক জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করা হয়।
হামলার পর ট্রাম্প বলেন, স্থাপনাগুলো ‘সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস’ করা হয়েছে।
