মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, ময়মনসিংহ বিভাগের বিশেষ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী আমতলা ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের নুরুল আমীন ওরফে নুরু ১৭ মার্চ ২০২৫ সালে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ নুরুল আমীন নুরুর স্ত্রী ২১ মার্চ ২০২৫ থানায় অভিযোগ (জিডি) করেন।
এর পর সন্দেহ অবস্থায় গ্রেপ্তার হোন কয়েকজন উক্ত গ্রামের ব্যক্তি।
তাদের জবানবন্দি অনুযায়ী যে পুকুরে নুরুল আমীন ওরফে নুরু লাশ রাখা হয়েছে, সেই পুকুরে পুলিশ নুরুর লাশ না পেয়ে পুকুর জব্দ হিসেবে রাখেন আদালত। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মালিকানা ব্যক্তিগন মাছ ধরে খেতে পারবেন কিন্তু কেউ পুকুরের পানি নিষ্কাসন করতে পারবেন না। যদি পুকুর নিস্কাসন করবে তাহলে আইন অমান্য হিসেবে দেখা হবে বা গননা করা হবে।
২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- জায়গার মালিক আমিনুলের কাছে থেকে লিজ/ বন্দবস্ত নেওয়া আব্দুল জব্বার ওরফে বাচ্চু মিয়া ইউপি সদস্য, ব্যক্তি আদালত অমান্য করে পুকুর থেকে পানি নিষ্কাসন করে মাছ বিক্রি করছে।
পুকুরের পানি নিষ্কাসন করায় লাশের কংকাল সরানোর অভিযোগ নুরুল আমীন ওরফে নুরুর পরিবারের।
এবিষয়ে ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়া মুঠোফোনে বলেন- আমি আদালত থেকে মাছ স্থানান্তর অনুমতি নিয়ে কাজ করছি। পুকুরে পানি বেশি থাকায় মাছ ধরতে সমস্যা হচ্ছে তাই এক দের হাত পানি কমাইছি। আমি আদালত অমান্য করছি না,আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
এদিকে নুরুল আমীন ওরফে নুরুর হত্যা কান্ডের তদন্ত ডিবি কর্মকর্তা অপু হোয়ার্সআপস লেখেন- দাদা,আমি
আমিনুলের ফিশারী সেচ ও খনন এর অনুমতি তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে পেয়েছি। মালিক পক্ষকে ৭ দিন সময় দিয়েছে মাছ স্থানান্তরের। যখন সেচের বিষয়টি জানতে পেরেছি তৎক্ষনাৎ ব্যবস্থা নিয়ে সেচ বন্ধ করিয়েছি। ধন্যবাদ।
এবিষয়ে নুরুল আমীন ওরফে নুরুর পরিবারের সদস্য তার ভাইয়ের সাথে কথা বলে জানা যায়- একবছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও আমার ভাইয়ের কোন খুজ খবর পাইনি। আসামি জবানবন্দি দেওয়ার পরেও আসামিদের বিরুদ্ধে কোন হেনস্তা বা আইন প্রয়োগ হয়নি। আমরা খুব দ্রুত সকলকে সঙ্গে নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া বেগবান করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাবো। এদিকে স্ত্রী নীরবে বসে পাগল প্রায়।
