বিশেষ প্রতিবেদন রিপোর্টার | ঢাকা বিভাগীয় প্রধান ও কুটনৈতিক সংবাদদাতা
🇧🇩 নাগরিক ভিআইপি সদস্য: তেসলা
🇧🇩 পরিচালক অফ প্রাইভেট ডিটেকটিভ লিঃ
বিস্তারিত জানিয়েছে
গত ২২শে জানুয়ারি ২০২৬ সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ৫৬তম বার্ষিক বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম – ডব্লিউইএফ সম্মেলনে কালো জ্যাকেটের উপরে এশীয় চিত্রিত কালো টপ পরিহিত প্রযুক্তি ধনকুবের ইলন মাস্ক জনতার দিকে হাত নাড়াচ্ছেন।
মঙ্গল গ্রহের বদলে চাঁদে শহর নির্মাণের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ইলন মাস্ক
চাঁদে গড়ে তোলা যেতে পারে ‘স্ব-বর্ধনশীল শহর’ এবং এটা ১০ বছরেরও কম সময়ে সম্ভব- এমন পরিকল্পনার কথাই জানিয়েছেন ইলন মাস্ক।
এক্স (সাবেক টুইটার), টেসলা, আর স্পেসএক্স-র প্রধান নির্বাহী ও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এই ব্যক্তি তার সাম্প্রতিক এক এক্স পোস্টে লিখেছেন, মঙ্গল গ্রহে শহর নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে সরে এসে চাঁদে শহর গড়ার দিকে মনোযোগ দিয়েছে স্পেসএক্স।
কিন্তু মাস্ক নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন কেন?
আর চাঁদের বুকে এই ‘স্ব-বর্ধনশীল’ শহর সম্পর্কেই বা কী জানা যাচ্ছে?
মঙ্গলের বদলে চাঁদ
‘স্ব-বর্ধনশীল’ শহর নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পূর্ণাঙ্গ নকশা বা বিশদ পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়নি। বরং এখন পর্যন্ত তা ইলন মাস্কের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ শেয়ার করা পরিকল্পনার পর্যায়েই আছে।
চাঁদের সম্পদ ব্যবহার করে ধীরে ধীরে স্থায়ী মানব বসতি স্থাপন ও তা সম্প্রসারণের কথা বলছেন মাস্ক। আর তা সম্ভব হবে চাঁদে আরও ঘন ঘন উৎক্ষেপণের মাধ্যমে।
নিজের পোস্টে মাস্ক লিখেছেন, এটি “১০ বছরেরও কম সময়ে” বাস্তবায়ন করা সম্ভব, যেখানে মঙ্গল গ্রহে একই কাজ করতে ২০ বছরের বেশি” সময় লাগবে।
“স্পেসএক্স-র মিশন একই রয়েছে: আমরা যেমনটা জানি তেমন চেতনা ও জীবনকে নক্ষত্রের দিকে সম্প্রসারিত করা”।
মাস্ক ব্যাখ্যা করেছেন, “প্রতি ২৬ মাসে (ছয় মাসের ভ্রমণ সময়) গ্রহগুলোর অবস্থান অনুকূলে এলেই” কেবল মঙ্গল গ্রহে যাত্রা সম্ভব। (চলমান)
