বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন (ধারাবাহিক-৫ চলমান)
স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা বিভাগীয় প্রধান ও কূটনৈতিক সংবাদদাতা
“ইফাদ” লিংক অনলাইন ঋণের প্রলোভন ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী কে সংঘবদ্ধ প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত। কারন এই বিষয় বাংলাদেশ পুলিশ প্রধান কার্যালয়ে বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। পরবর্তীতে মালিবাগ সিপিসি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ পুলিশ ডিবি কার্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে সাক্ষাতের জন্য ডেকেছে। সিপিসি প্রধান ডকুমেন্ট দেয় একজন গ্রেফতার সে এই ইফাদ লিংক প্রজেক্টের কেউ না।
এছাড়া র্যাব-১, সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার এবং র্যাব-১০ সিপিসি-৩ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে কিন্তু ফলাফল নিস্ক্রিয় কারণ তদন্ত অফিসার কম্প্রোমাইজ।
এছাড়াও তিনি অভিযোগকারীর পরিবারের সদস্যদের ঋন অফিসার রাখি খাতুন পরিবারের সকলকে হত্যা করবে লিখিতভাবে ঘোষণা করেছে এবং ফোনে বলেন যে আমাদের কিছুই করতে পারবেন না, আমরা বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তণ করি এবং সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের সাথে সংযুক্ত আছে।
ইফাদ লিংক যোগাযোগ করে কিছু অফিসারের পরিচয় পেয়েছি। আমাদের তদন্ত চলছে আমরা আরও তথ্য পরবর্তী রিপোর্টে জানাবো
*১★ আন্তর্জাতিক তহবিল অফ কৃষি উন্নয়ন,
ইফাদ মাইক্রো ফাইন্যান্স প্রজেক্ট,
বাংলাদেশ অপারেশন বিভাগ,
এমসিও প্রধান, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাঈনু,
অফিস ঠিকানা: সড়ক ১৮এ এক্সট্রেড, বনানী, ঢাকা ১২১২,
জাতীয় পরিচয় পত্র নং- 95956635760,
জন্মদিন তারিখ- ০১ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৬, মো: নুর আলম, ফরিদা ইয়াছমিন, WhatsApp +880 1937-291950. E-mail: ifadbd2025@gmail.com, www.ifadbd.com,
*২★ মোহাঃ শহিদুল ইসলাম,
WhatsApp +880 1796-319954
জাতীয়পরিচয়পত্রনং- 6875551589,
জন্মদিন তারিখ 01 মার্চ ১৯৮৮,
গোলাম মোস্তফা,
মোসঃ রোকেয়া বেগম,
*৩★ রাখি খাতুন (RAKHIA KHATUN),
What’sApp +880 1603-410378,
উজ্জবল পামানিক,
মোছাঃ রোবেকা বেগম,
জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: 3767908077,
জন্মতারিখ: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৪,
এই পরিচয় পত্র বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী হতে তদন্ত করে মিথ্যা পাওয়া গেছে এবং ফোন নাম্বার রাখি খাতুন স্বামীর স্বীকৃতি দিয়েছে
*৪★ আবু জাহিদ, What’sApp +880 1635-540658, জাতীয়পরিচয়পত্র নং- 1503197053, জন্মদিন তারিখ ০১ ডিসেম্বর ১৯৯২, ইসমাঈল মিয়া, মোসাঃ রোকেয়া বেগম,
‘ইফাদ’ নাম ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ প্রতারণা
অভিযোগ রয়েছে, প্রতারক চক্রটি ‘ইফাদ ফাউন্ডেশন’, ‘আন্তর্জাতিক তহবিল কৃষি উন্নয়ন (ইফাদ)’, ‘ইফাদ ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প’ এবং ‘ইফাদ মাইক্রো ফাইন্যান্স প্রজেক্ট’ নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে।
এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা স্বীকৃতি ডকুমেন্টস মিথ্যা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) সূত্রে জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট ও অনুমোদন ভুয়া বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও প্রতারণার কৌশল নিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় প্রত্রিকা ও অনলাইন, বিভিন্ন জেলা প্রত্রিকা ও মহানগর অনলাইন একাধিক ভুক্তভোগীর বক্তব্য বিশ্লেষণ করে এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদন হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর স্যার এর পিএস ও মিডিয়া ডিপার্টমেন্ট, র্র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন RAB-01, বাংলাদেশ জেনারেল অফ পুলিশ, সিআইডি, সাইবার ক্রাইম ইনভেস্ট, ডিবি, সিপিসি মালিবাগ কার্যালয় অবগত আছেন কিন্তু ফলাফল নিস্ক্রিয় কারণ তদন্তের অফিসাররা কম্প্রোমাইজ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ:
অফিসিয়াল ফোন নাম্বার থেকে কথা বলেন ও এসএমএস পাঠিয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে।
হোয়াটসঅ্যাপ যোগাযোগ নাম্বার
সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া
বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা দাবি করেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তোর কর্মকর্তা কম্প্রোমাইজড হয়ে যান।
ভুয়া আইডি কার্ড ও ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদর্শন চলমান কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কি করছো বাংলাদেশের জনগণ বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। সকল জালিয়াতি প্রমাণের ভিত্তিতে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি অবশ্যই কেউ কমপ্রোমাইজ হবেন না। বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ বর্তমান সরকারের আইন-শৃঙ্খলার ভিত্তি দেখতে চায়।
