মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, ময়মনসিংহ বিভাগের বিশেষ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নে জুলাই যুদ্ধাকে মারপিট ও খুন করার হুমকির অভিযোগে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
১১ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাত অনুমান ০৯.৩০ ঘটিকার সময় কেন্দুয়া থানাধীন মাসকা ইউনিয়নের চকসাদক কোনাপাড়া সাকিনস্থ জনৈক শহিদ মিয়ার দোকানের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
বাদী এনামুল হক এমাম লিখিত অভিযোগে বলেন
আমি একজন ২৪ জুলাই যুদ্ধা, পিতা আবদুল গনি, গ্রাম চকসাদক কোনাপাড়া সাকিনস্থ জনৈক শহিদ মিয়ার দোকানের সামনে গেলে
১নং স্বাক্ষী সহ অন্যান্য স্বাক্ষীদের সাথে কথা বলার সময় বিবাদীগন অন্যান্য লোকজনদের সাথে উচ্চস্বরে কথা বলতে থাকে। আমি বিবাদীদের কে আস্তে কথাবার্তা বলাতে বলায় বিবাদীগন আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে সকল বিবাদীগন আমার উপর আক্রমন করে। বিবাদীগন আমাকে এলোপাথারী ভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কিল, ঘুসি মারিয়া নিলাফুলা বেদনাযুক্ত জখম করে। বিবাদীগন আমার পড়নের কাপড় টানা হেচড়া করে ছিড়ে ফেলে। বিবাদীগন আমার মানিব্যাগে থাকা সর্বমোট-১৮,০০০/-টাকা মানিব্যাগ ছিড়ে নিয়ে যায়। আশপাশ লোকজন বিবাদীদের কে ফিরাইয়া আমাকে প্রানে রক্ষা করে। বিবাদীগন চলিয়া যাওয়ার সময় হুমকি দিয়া বলে যে, আমাকে পরবর্তীতে সুবিধামত পাইয়া খুন, জখম করিবে। পরে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা করাইয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করি।বিবাদী-১। মোঃ হুমায়ুন (৪০) পিতা-মৃত জিলু মেম্বার, ২। আঃ কাইয়ুম (৪৫) পিতা-মৃত জিলু মেম্বার, ৩। মোঃ সোহাগ মিয়া (৩৫) পিতা-মৃত জিলু মেম্বার, ৪। মোঃ সেলিম মিয়া (৩৫) পিতা-মৃত আলাল উদ্দিন, ৫। নাইম (২০) পিতা-ইদ্রিস, সর্ব সাং-চকসাদক কোনাপাড়া ইউপি-মাসকা থানা-কেন্দুয়া জেলা-নেত্রকোনা সহ অজ্ঞাত নামা ১৫/২০ জন।
স্বাক্ষীঃ ১। হাদিস মিয়া(৪৫) পিতা-মৃত আঃ জব্বার, ২। এখলাছ মিয়া (৩৮) পিতা-মৃত রজব আলী, ৩। আবুল কালাম (৪৫) পিতা-মৃত সাহেদ আলী, ৪। জুয়েল (৪০) পিতা-গিয়াস উদ্দিন মাস্টার সর্ব সাং-চকসাদক কোনাপাড়া ইউপি-মাসকা থানা-কেন্দুয়া জেলা-নেত্রকোনা।
এ বিষয় থানা কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
