মো : আমিরুল ইসলাম :
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, এ নির্বাচনে কোন শঙ্কা দেখছে না কমিশন। এবারের নির্বাচন অন্য সব নির্বাচন থেকে আলাদা হবে, যারা রিটার্নিং অফিসার থাকবে তারা হা না ভোটের প্রচারণা চালাতে পারবে না। এবারে আচরণবিধি প্রতিপালন কঠোর ভাবে ফলো করা হচ্ছে, বিগত ৮ জানুয়ারী থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১২৮টি নির্বাচনী এলাকায় ১৪৪টি আচরণবিধি মামলার সংখ্যা ৯৪টি। জরিমানার পরিমাণ ৯ লাখ ৫ হাজার ৫০০ টাকা।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, যারা রিটার্নিং অফিসার তারা হা না ভোটের প্রচারণা চালাতে পারবে না। গণভোট সবাই চাইছে। একটি প্রেক্ষিতে এই গণভোট এসেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ইসি মনে করে এবারের নির্বাচন আগেরকার নির্বাচন থেকে আলাদা হবে। কোন রকম কারচুপির সম্ভবনা নেই। চারপাশের উৎসবমুখর পরিবেশ ইসির প্রতি আস্থারই বহিঃপ্রকাশ।
ভোটে কারচুপির আশঙ্কা থাকতে পারে বলে কেউ ভাবলেও তবে তার কোনোটাই সঠিক হবে না। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে যা যা করার ইসি তা করেছে। কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে মাঠ প্রশাসন, সেনা, নির্বাহী ম্যাজিট্রেটসহ আইন শৃঙ্খল বাহিনী।
তিনি বলেন, ভোটারদের উদ্দেশে বলব: সবাই ভোট দেন, গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করেন। সেটি নিশ্চিত করতে শতভাগ নিরাপত্তা দিচ্ছে ইসি।
সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে যথাসময়ে ফলাফল প্রকাশে যথেষ্ট ব্যবস্থা রেখেছি। সার্বিক বিবেচনায় কাঙ্ক্ষিত সময়েই ফলাফল দেয়ার চেষ্টা করবো। বড়জোর শেষরাত বা তার পরের দিন গড়াতে পারে ফলাফল।
তিনি বলেন, জাপা নিষিদ্ধ করার কোনো আদেশ পায়নি কমিশন। যারা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে তারা গণভোটের জন্য প্রচার করবে তবে হ্যাঁ-না/পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না। সরকার যে প্রচারণা করছে তা নিয়ে আইনের লোকেরা ভাল বলতে পারবে। আমরা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আইন ও সংবিধান ছাড়া আমাদের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আচরণবিধি প্রায় শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করে কমিশন। আগের অনেক নির্বাচনের চেয়ে এবার পরিবেশ অনেক ভাল থাকবে বলে জানান ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
